খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১ আশ্বিন, ১৪৩৩
advertisement

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়

Md Abu Sayed
প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর বক্তব্য দিচ্ছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। আজ মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে আট ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে এক বছরের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন। নির্বাচনে খলিলুর রহমান নিরানব্বইটি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পান একানব্বইটি ভোট।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল দশটায় জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত ১৯৩টি দেশের প্রতিনিধিরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দুই প্রার্থীর পক্ষে তাদের রায় দেন। মোট ১৯০টি ভোট এই নির্বাচনে পড়েছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই অধিবেশন শুরু হবে এবং ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণ প্রদানের মধ্য দিয়ে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক পর্বের সূচনা হবে। এই অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সভাপতির ভূমিকা পালন করবেন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উপস্থিত ছিলেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই বিজয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের প্রতি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা এবং ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাবের এক সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত।

এই জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে বসলেন। এর আগে, আজ থেকে চল্লিশ বছর পূর্বে, ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী। তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদও অলংকৃত করেন। পরবর্তীতে হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্বও পালন করেন।

সাবেক পেশাদার কূটনীতিক খলিলুর রহমান তার কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জেনেভা ও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বিভিন্ন সংস্থায় অতিবাহিত করেছেন। ১৯৯১ সালে তিনি জেনেভায় জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনের (আঙ্কটাড) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে যোগদান করেন। এরপর দীর্ঘ পঁচিশ বছর তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রকাশনার প্রধান লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা জানিয়েছেন যে, ‘রেসিপ্রোকাল সাপোর্ট অ্যারেঞ্জমেন্ট’ (আরএসএ) বা একে অপরকে ভোট দেওয়ার জন্য পারস্পরিক সহযোগিতামূলক চুক্তির মাধ্যমেই এবারের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে। এই পারস্পরিক সমর্থন আদায়ে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকা থাকায় মাত্র তিন মাসের প্রচারণার পরেও দেশের প্রার্থী জয়ী হতে সক্ষম হয়েছেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ২০২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে এই পদের জন্য দেশের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি। এরপর থেকেই পূর্ণোদ্যমে কূটনৈতিক প্রচারণা শুরু হয়। দীর্ঘ প্রস্তুতির সুযোগ না থাকলেও, বাংলাদেশ এই স্বল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দেশের সাথে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা, দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ এবং বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক ফোরামে অত্যন্ত সক্রিয় ও কৌশলগত প্রচারণা চালিয়ে আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভে সফল হয়। অপরদিকে, বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস ২০১৬ সালে তাদের প্রার্থিতা ঘোষণা করে এবং এক দশক ধরে ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়ে আসছিল।

এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সাথে, জাতিসংঘ ঘোষিত মূলনীতি ও উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

advertisement
advertisement

বিরোধীদের ক্ষোভ ও পদত্যাগের দাবির মুখে ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের জনসংযোগ অনুষ্ঠান স্থগিত

Md Abu Sayed
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিরোধীদের ক্ষোভ ও পদত্যাগের দাবির মুখে ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের জনসংযোগ অনুষ্ঠান স্থগিত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার

দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও পদত্যাগের জোরালো দাবির প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের দুটি জনসংযোগ কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম অনুষ্ঠানটি গত বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশের মিরাটে এবং দ্বিতীয়টি আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর উত্তর প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় আসন বারানসিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে গণমাধ্যমে এই স্থগিতের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। কমিশনের সূত্রের মতে, অতীতে প্রতিকূল আবহাওয়া বা শেষ মুহূর্তে ভেন্যু পরিবর্তনের মতো পরিস্থিতিতে উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ কিংবা লাদাখেও এমন কর্মসূচি স্থগিত বা বাতিল হয়েছিল। তবে মিরাট ও বারানসির অনুষ্ঠান দুটি কেন স্থগিত করা হলো, সে ব্যাপারে কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।

নির্বাচন কমিশনের সার্বিক পরিচালনা ও সিইসির ভূমিকা নিয়ে কমিশনের বাকি দুই সদস্য সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তোলার পরই পুরো ভারতে বিরোধী দলগুলো তীব্র প্রতিবাদে নেমেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব এবং শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে একযোগে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পক্ষ থেকে সিইসিকে পদ ছেড়ে দেওয়ার জন্য ৪৮ ঘণ্টার চরম সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। দলটির নেতা অভিজিৎ দিপকে সতর্ক করে বলেছেন, পদত্যাগ না করলে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং দ্বিতীয় ‘যন্তর মন্তর’ সৃষ্টি করা হবে। ঠিক এমন এক রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেই সিইসির সফর স্থগিতের পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

দেশের তরুণ সমাজকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করতে কমিশনের একটি নিয়মিত উদ্যোগ হলো ‘ইলেকটোরাল লিটারেসি ক্লাব’ (ইএলসি)। তরুণদের মাঝে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া এবং ভোটার তালিকায় নাম তোলাসহ ভোটকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করাই এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য। এজন্য ইসি মূলত ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্কুলশিক্ষার্থী অর্থাৎ ‘জেন আলফা’ এবং ১৮ থেকে ২১ বছর বয়সী ‘জেন-জি’ তরুণদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যদল হিসেবে নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সচেতনতায় পরিচালিত হয় ‘ভোট পাঠশালা’। উত্তর প্রদেশের মিরাট ও বারানসিতে এমনই দুটি আয়োজনে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। উল্লেখ্য, ইএলসি ও ইসিনেটের সর্বশেষ অনুষ্ঠানটি গত ১১ সেপ্টেম্বর গুজরাটের আহমেদাবাদে আয়োজিত হয়েছিল।

মুদিদোকানের একটি ফোনেই বদলেছিল ভাগ্য, ক্যানসারের সাথে লড়াই শেষে চলে গেলেন অভিনেতা মুস্তাক খান

Md Abu Sayed
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মুদিদোকানের একটি ফোনেই বদলেছিল ভাগ্য, ক্যানসারের সাথে লড়াই শেষে চলে গেলেন অভিনেতা মুস্তাক খান

মুস্তাক খান। কোলাজ

দীর্ঘদিন দূরারোগ্য ক্যানসারের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন বলিউডের সুপরিচিত পার্শ্বচরিত্রাভিনেতা মুস্তাক খান। গত ২৪ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫৬ বছর বয়সে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। তিন দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে কোনোদিন নায়ক না হলেও রূপালি পর্দায় নিজের অসামান্য কমিক টাইমিং ও সাবলীল উপস্থিতিতে দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। কয়েক বছর আগে ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরলেও সম্প্রতি তাঁর স্বাস্থ্যের চরম অবনতি হয়েছিল বলে নিশ্চিত করে ভারতীয় চলচ্চিত্রকর্মীদের সংগঠন।

মধ্যপ্রদেশের বালাঘাট জেলার বাইহার শহর থেকে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাইয়ে পা রেখেছিলেন মুস্তাক। সে যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মুঠোফোন বা ই-মেইল না থাকায় প্রতিষ্ঠিত পরিচালকদের কাছে পৌঁছানো ছিল প্রায় অসম্ভব এক লড়াই। নিজ বাসস্থানে টেলিফোন না থাকায় যোগাযোগের একমাত্র ভরসা ছিল পাশের একটি মুদিদোকান। কোনো পরিচালক ফোন করলে সেই খবর পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে দোকানদারকে প্রতিবার এক টাকা করে দিতেন তিনি। এভাবেই মহেশ ভাটের সঙ্গে দেখা করার আশায় প্রায় ১৫ দিন অপেক্ষার পর কাঙ্ক্ষিত ফোনটি আসে। চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের সুপারিশে ভাটের সঙ্গে মুস্তাকের পরিচয় ঘটেছিল। প্রথম দেখায় সুযোগ না মিললেও তিনি মুস্তাককে ভাই মুকেশ ভাট ও চিত্রনাট্যকার রবিন ভাটের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলেন। পরবর্তী সময়ে সেই মুদিদোকানের ফোনকলটিই তাঁর ভাগ্য চিরতরে বদলে দেয়।

১৯৮৮ সালে মহেশ ভাটের অ্যাকশনধর্মী ছবি ‘কবজা’-য় ‘তিওয়ারি’ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর রূপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে। সঞ্জয় দত্ত, রাজ বব্বর, ডিম্পল কাপাডিয়া ও অমৃতা সিং অভিনীত ছবিটিতে মুস্তাকের সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি পরিচালক ভাটের নজর কাড়ে। এর প্রেক্ষিতে তিনি ওয়াহিদা রহমান ও আকর্ষ খুরানা অভিনীত ‘স্বয়ম’ নামের একটি টেলিফিল্মে তাঁকে তুলনামূলক বড় চরিত্রে সুযোগ দেন। এরপর তিনি মহেশ ভাটের নির্ভরযোগ্য অভিনেতায় পরিণত হন এবং ‘আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’, ‘সড়ক’, ‘সাথি’, ‘জুনুন’, ‘গুনাহ’, ‘সির’, ‘গুমরাহ’, ‘নারাজ’ ও ‘চাহত’-এর মতো বহু ছবিতে অভিনয় করেন। বিশেষ করে ১৯৯৩ সালের ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’ সিনেমায় ‘ভগবতী প্রসাদ মিশ্র’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শক মহলে দারুণ সাড়া ফেলে।

মুস্তাকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের অন্যতম দুটি উজ্জ্বল অধ্যায় হলো ‘গদার’ ও ‘ওয়েলকাম’। ২০০১ সালে সানি দেওল অভিনীত ‘গদার: এক প্রেম কথা’ এবং দুই দশক পর মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গদার ২’ ছবিতে ‘গুল খান’ বা ‘গুল্লু’ চরিত্রে ছিলেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের ব্লকবাস্টার কমেডি ছবি ‘ওয়েলকাম’-এ অক্ষয় কুমার, নানা পাটেকর, অনিল কাপুর, ক্যাটরিনা কাইফ ও পরেশ রাওয়ালের মতো শীর্ষ তারকাদের পাশাপাশি সাবেক প্রতিবন্ধী হকি খেলোয়াড় ‘বাল্লু’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় আজও স্মরণীয়। পরে জানা যায়, অতিরিক্ত শুটিং করা সত্ত্বেও অত্যন্ত জনপ্রিয় এই চরিত্রের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র ১ লাখ রুপি, যা মূল তারকা অক্ষয় কুমারের ব্যক্তিগত কর্মচারীদের কারও কারও আয়ের চেয়েও কম ছিল। কমেডির পাশাপাশি তিনি পুলিশ, কেরানি, আত্মীয়স্বজনসহ নানা বৈচিত্র্যময় চরিত্রে ‘হেরা ফেরি’, ‘জোড়ি নম্বর ওয়ান’, ‘মুঝসে শাদি করোগি’, ‘বালা’, ‘বধাই দো’ এবং ‘স্ত্রী ২’-এর মতো সাম্প্রতিক সফল ছবিতেও নিজের জাত চিনিয়েছেন। ছোটপর্দায় ‘কুছ রং পেয়ার কে অ্যায়সে ভি’ ধারাবাহিকেও কাজ করেছেন তিনি।

মৃত্যুর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে এক চরম দুর্বিষহ ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলেন মুস্তাক খান। একটি অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে উত্তর প্রদেশে গিয়ে তিনি অপহরণের শিকার হন। ২০ নভেম্বর তাঁকে দিল্লি থেকে বিজনোরের একটি নির্জন বাড়িতে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় এবং ২ লাখ ২০ হাজার রুপি মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরদিন সকালে অপহরণকারীরা ঘুমিয়ে পড়ার পর আজানের ধ্বনি শুনে পালিয়ে গিয়ে কাছের একটি মসজিদে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বাঁচেন তিনি। পরবর্তীতে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসে, একই অপরাধী চক্র অভিনেতা শক্তি কাপুরকেও একইভাবে ফাঁদে ফেলার চক্রান্ত করেছিল। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী সালমা খান, শিক্ষক পুত্রবধূ সাবা খান ও দুই ছেলে—মোহাম্মদ আরশাদ খান ও সাবেক মডেল মোহসিন খানকে রেখে গেছেন বলে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ ও ‘ইন্ডিয়া টুডে’-র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

Md Abu Sayed
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

নিজেকে ভাঙাগড়ার খেলায় মেতেছেন শাকিব খান। প্রতি ঈদে তিনি যেমন নতুন পরিচালকদের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তেমনি নিজেকে নিয়েও করছেন দেদার পরীক্ষা-নিরীক্ষা। শাকিব খান নিজেকে ভাঙছেন ঠিকই, কিন্তু পরিচালকেরা কি তাঁকে সেভাবে কাজে লাগাতে পারছেন? কথা হচ্ছিল ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া আজমান রুশোর সিনেমা ‘রকস্টার’ নিয়ে। টিজার, পোস্টার আর গান দিয়ে মুক্তির আগে যেভাবে সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ জাগিয়েছিলেন নতুন পরিচালক, সিনেমা হলে গিয়ে সেসবের প্রতিফলন কতটা দেখতে পেলেন দর্শক?


শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, 

‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।